ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৮ জানুয়ারি ২০২৬
  • অন্যান্য
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইসিটি
  4. আজকের গুরুত্বপূর্ণ
  5. আন্তর্জাতিক
  6. উপজেলার সংবাদ
  7. ওপার বাংলা
  8. খেলার খবর
  9. গ্যাজেট
  10. চাকরির খবর
  11. চাকরির খোঁজ
  12. জাতীয়
  13. দুর্ঘটনা
  14. ধর্ম পাতা
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আবারো আলোচনায় বিয়ানীবাজার উপজেলা বিএনপি নেতা আবিদ হাসান লিটন, প্রভাব বিস্তারসহ নানা গুরুতর অভিযোগ

Today Sylhet24
জানুয়ারি ৮, ২০২৬ ১:৩১ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার::

অভিযুক্ত আবিদ হাসান

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সিলেট-০৬ (গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার) আসনে রাজনৈতিক তৎপরতা দিন দিন তীব্র হয়ে উঠছে। এই প্রেক্ষাপটে বিএনপির এক নেতা আবিদ হাসান লিটনকে ঘিরে এলাকায় নতুন করে আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীর পক্ষে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছেন এবং একই সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচনী কার্যক্রমে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আবিদ হাসান লিটন নিজেকে বিএনপির একজন প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে নির্বাচনী এলাকায় সক্রিয় রয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, দলীয় পরিচয় ও প্রভাব ব্যবহার করে তিনি বিভিন্ন এলাকায় প্রচারণা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। এতে বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ দেখা গেলেও ভিন্নমতাবলম্বী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিশেষ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হেলিকপ্টার প্রতীকের মাওলানা ফকরুল ইসলামের কর্মীদের প্রচারণায় একাধিক স্থানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় একাধিক সূত্র দাবি করেছে, পোস্টার লাগানো, ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং প্রচারসভা পরিচালনার সময় ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভোটারদের অর্থের বিনিময়ে প্রভাবিত করার অভিযোগও এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে।
আরও গুরুতর অভিযোগ হিসেবে স্থানীয়দের দাবি, কিছু এলাকায় ভোটারদের জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে-নির্দিষ্ট প্রার্থীকে ভোট না দিলে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হতে পারে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভোটার বলেন, “এ ধরনের হুমকির কারণে অনেকেই আতঙ্কে রয়েছেন এবং স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সাহস পাচ্ছেন না।”
এ ছাড়া অভিযোগ রয়েছে, নির্বাচনী কার্যক্রমে যুক্ত নেতাকর্মীদের পরিবার-পরিজনের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখিয়ে মাঠ থেকে সরে দাঁড়াতে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে বা ক্ষতির আশঙ্কা দেখিয়ে নির্দিষ্ট দলের পক্ষে কাজ করতে বাধ্য করার অভিযোগও তোলা হয়েছে।
এদিকে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর একটি প্রতিবেদনের উদ্‌ধৃতি দিয়ে বলা হয়, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সহিংসতার একটি বড় অংশের সঙ্গে বিএনপির সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের দাবি, এসব ঘটনায় সরকারের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, যা নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলছে।
এলাকাবাসীর একটি অংশ বলছে, আবিদ হাসান লিটনের এলাকায় দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে, যা নির্বাচনের সময় আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তবে সমালোচকদের মতে, এই প্রভাব দলীয় সীমার মধ্যে না থেকে সাধারণ মানুষকে হয়রানির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবিদ হাসান লিটনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “কেউ যদি লিখিত অভিযোগ করেন, তাহলে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এদিকে স্থানীয় বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা জানান, দলীয়ভাবে প্রার্থীকে সমর্থন জানানো রাজনৈতিকভাবে স্বাভাবিক হলেও কেউ যদি দলের নাম ব্যবহার করে নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘন বা বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকে, তাহলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে।
নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, সিলেট-০৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হওয়ায় এখনই প্রশাসনের সক্রিয় ও নিরপেক্ষ ভূমিকা জরুরি। অন্যথায় অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগে নির্বাচনী পরিবেশ প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ, ভয়মুক্ত পরিবেশ এবং আইনসম্মত নির্বাচনী কার্যক্রম নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
Uncategorized সর্বশেষ